টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ৩

প্রকাশিত: ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, মে ৬, ২০২০

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ে পুলিশের সঙ্গে কথিত  বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছে। আজ বুধবার (৬ মে) ভোরে উপজেলার হ্নীলা রঙিখালির পাহাড়ে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’  ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সৈয়দ আলম, নুরুল আলম এবং সৈয়দ হোসেন। তারা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, নিহতরা ডাকাতদলের সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় চার কর্মকর্তাসহ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের ভাষ্যমতে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ  বুধবার ভোরে রঙিখালি ডাকাতের আস্তানায় পুলিশের একটি দল অভিযান চালানো হয়। এসময় ডাকাতদলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদেরকে উদ্ধার করে টেকনাফে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডাকাতদের আস্তানা থেকে ১৮টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৯ এপ্রিল স্থানীয় আক্তার উল্লাহ (২৪) নামের এক কৃষককে ধানক্ষেত থেকে অপহরণের পর গুলি করে হত্যা করেছে রোহিঙ্গা ডাকাতদল- এমন অভিযোগ করে তার পরিবার। একই এলাকার শাহ মোহাম্মদ শাহেদ (২৫), মোহাম্মদ ইদ্রিস (২৭) নামের আরো দুই কৃষককে তারা তুলে নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।

আক্তার উল্লাহর পরিবারের দাবি, সম্প্রতি তাকে অপহরণ করে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করে রোহিঙ্গা ডাকাতদল। মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ায় শুক্রবার ভোরে তাকে হত্যার পর লাশ টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের উনছিপ্রাং পুটিবনিয়া নামক রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পশ্চিমে রাখা হয়েছে- পরিবারের কাছে এমন খবরও দেয় ডাকাতদল। দাবি করা টাকা না দেওয়ায় অপহৃত বাকি দুইজনকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।